[email protected] ঢাকা | মঙ্গলবার, ৩রা ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২০শে মাঘ ১৪৩২
thecitybank.com

চরাঞ্চলের উন্নয়নে ‘ধ্রুবতারা’ হয়ে জামায়াত নেতা বুলবুলের আবির্ভাব

নিজস্ব প্রতিনিধি:

প্রকাশিত:
৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭:৪৬

নুরুল ইসলাম বুলবুল। ফাইল ছবি

অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত চরাঞ্চলের মানুষের ভাগ্যাকাশে এক উজ্জ্বল ‘ধ্রুবতার‘ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নূরুল ইসলাম বুলবুল। দীর্ঘকাল ধরে নাগরিক সুবিধাবঞ্চিত চাঁপাইনবাবগঞ্জের চরাঞ্চলীয় মানুষের কাছে তিনি এখন এক নতুন আশার নাম। জামায়াতের এই কেন্দ্রীয় নেতা বর্তমানে নিজ জন্মভূমি চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনের সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার আদায়ে এক আপসহীন সংগ্রামে লিপ্ত রয়েছেন, যা তার নির্বাচনী ইশতেহারে ফুটে উঠেছে।

চরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ও বঞ্চনাকে কেন্দ্র করে নূরুল ইসলাম বুলবুল তার নির্বাচনী জনতার ইশতেহারে উন্নয়ন পরিকল্পনা সাজিয়েছেন অত্যন্ত নিপুণভাবে। পদ্মার ভাঙনে প্রতি বছর ভিটেমাটি হারানো মানুষের আর্তনাদ বন্ধে তিনি একটি টেকসই ও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের বলিষ্ঠ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন, যা এই অঞ্চলের মানুষের প্রধান অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। বিশেষ করে, দুর্গম চরাঞ্চলের প্রশাসনিক জটিলতা ও দূরত্ব দূর করতে পৃথক ‘দিয়াড় উপজেলা’ গঠনের যে সাহসী প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছেন, তা স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে এক অনন্য আশার সঞ্চার করেছে। এই একটি প্রশাসনিক পরিবর্তন চরাঞ্চলের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত চিত্রকে আমূল বদলে দেওয়ার সক্ষমতা রাখে।

নূরুল ইসলাম বুলবুলের এই আবির্ভাব কেবল রাজনৈতিক প্রতিচ্ছবি নয়, বরং এটি চরাঞ্চলের কৃষি ও শ্রমজীবী মানুষের জীবনমান উন্নয়নের এক দীর্ঘমেয়াদী সংকল্প। তিনি বিশ্বাস করেন, চরাঞ্চলকে মূলধারার উন্নয়নের বাইরে রেখে একটি আধুনিক জেলা গড়া সম্ভব নয়। তাই চরাঞ্চলের শিশুদের জন্য আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, উন্নত চিকিৎসা সেবা দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বিশেষায়িত স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে তিনি নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। তার এই সুদূরপ্রসারী চিন্তা ও জনগণের প্রতি গভীর মমত্ববোধ তাকে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে এক বিশেষ উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

একজন সৎ, যোগ্য ও সাহসী নেতৃত্ব হিসেবে নূরুল ইসলাম বুলবুল বর্তমানে চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রতিটি জনপদে সমৃদ্ধির যে বীজ বপন করছেন, তা চরাঞ্চলের মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে ফেরার স্বপ্ন দেখাচ্ছে। সাধারণ মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত এই নেতা এখন কেবল একজন রাজনৈতিক প্রার্থী নন, বরং অবহেলিত চরাঞ্চলের মানুষের অধিকার আদায়ের এক নির্ভীক কণ্ঠস্বর। তার এই উন্নয়ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হলে অচিরেই চাঁপাইনবাবগঞ্জের অবহেলিত জনপদ একটি স্মার্ট ও আধুনিক সমৃদ্ধশালী অঞ্চলে পরিণত হবে—এমনটাই দৃঢ় বিশ্বাস এলাকার সর্বস্তরের মানুষের।

চরবাগডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন মিলন বলেন, সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন হিসেবে চরবাগডাঙ্গা দীর্ঘদিন যাবত কাঙ্খিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। বুলবুল ভাই আমাদের চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের উন্নয়নের জন্য কাজ করছেন এবং তার নির্বাচনী ইশতেহারে তা ফুটে উঠেছে। আশা করি তিনি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবে এবং চরাঞ্চলবাসীর উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাবেন।

সুন্দরপুর ইউনিয়নের মাদ্রাসা শিক্ষক সেলিম রেজা বলেন, শহরের চেয়ে চরাঞ্চলের মানুষ শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ মৌলিক অধিকারগুলোতে পিছিয়ে আছেন। তাই চরের ইউনিয়নগুলো নিয়ে উপজেলা গঠিত হলে এই অঞ্চলের মানুষের মৌলিক অধিকারগুলো আর ক্ষুণ হবে না। বুলবুল ভাই আমাদের মাঝে ধ্রুবতারা হয়ে আর্বিভাবে হয়েছেন। আমরা চাই চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সর্বস্তরের জনগন তাকে ভোট দিয়ে বিপুল ভোটে পাশ করাবেন।

এম.এ.এ/আ.আ


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর