[email protected] ঢাকা | সোমবার, ১২ই জানুয়ারী ২০২৬, ২৯শে পৌষ ১৪৩২
thecitybank.com

হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্তরা এখনো আইনের আওতার বাইরে: জামায়াত আমির

চাঁপাই জার্নাল ডেস্ক:

প্রকাশিত:
১০ জানুয়ারী ২০২৬, ২২:৫০

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: সংগ্রহীত

শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের মামলার অভিযোগপত্র দাখিল হলেও এর প্রধান অভিযুক্তরা এখনো আইনের আওতার বাইরে রয়ে গেছেন বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

তিনি বলেন, কেবল গ্রেপ্তারই যথেষ্ট নয়, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে কোনো সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা খুঁজে বের করা জরুরি।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির।

ডা. শফিকুর রহমান তার স্ট্যাটাসে বলেন, ‘আমাদের অত্যন্ত স্নেহের সন্তান এবং রাজপথের পরীক্ষিত সহযোদ্ধা শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির ইন্তেকাল আজও আমাদের ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ করে। একটি সম্ভাবনাময় প্রাণের এভাবে চলে যাওয়ায় যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা অপূরণীয়। অত্যন্ত দুঃখের বিষয় এই যে, মামলার অভিযোগপত্র দাখিল হওয়া সত্ত্বেও এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্তরা এখনো আইনের আওতার বাইরে রয়ে গেছে।’

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্ষমতা ও দায়িত্বশীলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি আরও বলেন, অভিযুক্তরা দেশের অভ্যন্তরে আছে নাকি সীমান্ত অতিক্রম করেছে, সে বিষয়ে অস্পষ্টতা বা বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের সুযোগ নেই। যদি তারা পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে বা অন্য কোনো দেশে অবস্থান করে থাকে, তবে সরকারের উচিত কূটনৈতিক পদক্ষেপের মাধ্যমে দ্রুত তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা।

একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য তদন্তের মাধ্যমেই কেবল প্রকৃত সত্য উদঘাটন সম্ভব উল্লেখ করে জামায়াত আমির সতর্ক করে বলেন, অন্যথায় বিচারহীনতার সংস্কৃতি জনমনে রাষ্ট্র ও আইনি ব্যবস্থার প্রতি গভীর সংশয় ও হতাশা সৃষ্টি করবে।

একজন শহীদের রক্তের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান সাংবিধানিক দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলতে চাই, শহীদ ওসমান বিন হাদির আত্মত্যাগ বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। আমরা আশা করি, সরকার ও প্রশাসন জনআকাঙ্ক্ষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে অবিলম্বে দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।’

ডেস্ক/আ.আ


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর