[email protected] ঢাকা | রবিবার, ৩০শে নভেম্বর ২০২৫, ১৬ই অগ্রহায়ণ ১৪৩২
thecitybank.com

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অঞ্চলভিত্তিক ম্যাপিং করতে হবে : আমীর খসরু

চাঁপাই জার্নাল ডেস্ক:

প্রকাশিত:
২৯ নভেম্বার ২০২৫, ১৯:৫০

ছবি: সংগ্রহীত
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, কৃষি পণ্যের দাম নির্ধারণ করে দিয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠান বোকার কাজ করছে। বাজারকে বাজারের মতো চলতে দেওয়া উচিত। কৃষিতে ভালো করেছি, কিন্তু বিপ্লব হয়নি। শস্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অঞ্চলভিত্তিক ম্যাপিং করতে হবে। খাদ্য আমদানি নির্ভরতা কমাতে না পারলে বৈশ্বিক রাজনীতির শিকার হতে হবে।
 
শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরাম (বিএজেএফ) আয়োজিত চার দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনের তৃতীয় দিনের ‘কৃষি ও খাদ্যে রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক সেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
 
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, কৃষির বিশাল পরিবর্তন হচ্ছে। কৃষিতেও বিপ্লব সম্ভব। জিয়াউর রহমানের স্লোগান ছিলো উৎপাদনের রাজনীতি। তখন বিদেশে চাল রপ্তানি হয়েছে। কৃষির সর্বোচ্চ উৎপাদন নিশ্চিত করতে সরকার বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এই মাটিতে অনেক কিছু হয়। যা আমরা করতে পারি না। সব কিছু মিলে অ্যালায়েন্স করতে পারলে অ্যাগ্রিকালচারে রেভুলেশন আনতে পারবো। 
 
তিনি বলেন, কৃষি খাতে নীতি আছে, কিন্তু নীতি বাস্তবায়ন করার মানুষ কম। অনেক সংস্কার হয়, কিন্তু কৃষক এর সুফল পায় না। কৃষকের ফসল পচে নষ্ট নয়। এটিকে প্রক্রিয়াজাত করতে হবে। কৃষিতে বিনিয়োগ দরকার। প্রযুক্তির উন্নয়ন দরকার।
 
তিনি আরো বলেন, দেশে এখনো সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান কৃষিতে। কৃষিই দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে। ১৮ মাসে আমরা এক কোটি কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি, সেটির অন্যতম একটি খাত কৃষি। 
 
কৃষির অঞ্চলভিত্তিক ম্যাপিং দরকার উল্লেখ করে আমীর খসরু বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে কৃষি। কোন অঞ্চলে কোন ফসল উৎপাদন করবো, বাংলাদেশের কৃষিতে তার একটি ম্যাপিং দরকার। যেখানে যে সম্ভাবনা আছে, সেই সম্ভাবনা খুঁজে বের করবো এবং অবকাঠামোর উন্নয়ন ঘটাবো। 
 
বিএজেএফের সাধারণ সম্পাদক আবু খালিদের সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন বিএজেএফ সভাপতি সাহানোয়ার সাইদ শাহীন।
 
এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রাণ আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও আহসান খান চৌধুরী বলেন, কৃষিতে ব্যাপক পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। নতুবা দেশের উন্নয়ন ঘটবে না। মাছ ও মুরগি উৎপাদন আরো বাড়াতে হবে। হর্টিকালচারে আমাদের উৎপাদন বাড়াতে হবে। তবে হর্টিকালচারে আমরা চীনের সহায়তা নিতে পারি। বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে যতো ধরনের পরামর্শ আছে সেগুলো দিতে হবে এবং সেই অনুযায়ী কাজ করতে হবে। আমার ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করবো, কেনা-বেচার ক্ষেত্রে আমরা পরিমিত লাভ করবো।
 
প্রসঙ্গত, চার দিনব্যাপী এ সম্মেলনের কো-স্পন্সর আস্থা ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। সহযোগী হিসেবে রয়েছে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, লাল তীর সিডস লিমিটেড, ওয়ার্ল্ড পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন–বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, বন অধিদপ্তর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।
 
ডেস্ক/ই.ই

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর