প্রকাশিত:
৭ নভেম্বার ২০২৬, ২১:৫৭
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ (EBAUB)-এর ভাইস-চ্যান্সেলর (ভিসি) প্রফেসর ড. মো. সফিকুল বারী। বাণীতে তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় জীবনের এক অবিস্মরণীয় ও গুরুত্বপূর্ণ বাঁকবদলের দিন।
স্বাধীনতাপরবর্তী রাজনৈতিক সংকট ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দেশপ্রেমিক সিপাহী ও জনতার ঐক্যের মাধ্যমে এদিন নতুন ইতিহাস রচিত হয়েছিল। এ সময় বন্দিদশা থেকে মুক্ত হয়েছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী, জেড ফোর্সের অধিনায়ক বীর উত্তম শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তিনি দেশ ও জাতির স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদ, দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
বাণীতে ভিসি আরও বলেন, ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক তাৎপর্য কেবল রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং জাতীয় আত্মমর্যাদা পুনরুদ্ধার, বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনরুজ্জীবন এবং উৎপাদনমুখী স্বনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও দিনটির গুরুত্ব রয়েছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী রাষ্ট্রচিন্তা বাংলাদেশের কৃষি, গ্রামীণ অর্থনীতি ও শিক্ষা খাতের আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। তাঁর প্রণীত ১৯ দফা কর্মসূচি গ্রামবাংলা ও কৃষকের ক্ষমতায়নের অন্যতম ভিত্তি ছিল।
তিনি উল্লেখ করেন, বিশেষায়িত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কৃষিশিক্ষা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে নিরলসভাবে কাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এ অঙ্গীকারের সঙ্গে শহীদ জিয়াউর রহমানের কৃষি ও উৎপাদনমুখী দর্শনের নিবিড় সংযোগ রয়েছে।
বাণীর শেষাংশে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ দেশবাসীকে দেশপ্রেম ও জাতীয় সংহতির চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনা চিরভাস্বর হয়ে থাকুক বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
এনামুল হক নাসিম/আ.আ
মন্তব্য করুন: