[email protected] ঢাকা | রবিবার, ২৮শে জুন ২০২৬, ১৪ই আষাঢ় ১৪৩৩
thecitybank.com

১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখেছেন জিয়াউলের দেহরক্ষী

চাঁপাই জার্নাল ডেস্ক:

প্রকাশিত:
২১ জুন ২০২৬, ২২:৪১

সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান। ফাইল ছবি/সংগ্রহীত

ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী থাকা অবস্থায় জাতীয় টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানকে ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখেছেন সেনাসদস্য ইমরুল কায়েস। যাঁদের গুলি করে ও ইনজেকশন দিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ আজ রোববার দেওয়া জবানবন্দিতে ইমরুল কায়েস এ তথ্য জানান। তিনি বলেছেন, বিবেকের তাড়নায়, সুষ্ঠু বিচারের স্বার্থে এবং সেই সঙ্গে কোনো সৈনিককে কখনই যেন তাঁর মতো পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে না হয়, সে জন্য তিনি জবানবন্দি দিয়েছেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় শতাধিক ব্যক্তিকে গুম করে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জিয়াউলের বিরুদ্ধে পঞ্চম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন সেনাসদস্য ইমরুল কায়েস। গত ১৪ জানুয়ারি এই মামলায় অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল।

ইমরুল কায়েস জবানবন্দিতে বলেন, তিনি ২০০১ সালের ৫ এপ্রিল সেনাবাহিনীতে সৈনিক হিসেবে যোগদান করেন। ২০১০-২০১২ সাল পর্যন্ত র‍্যাব সদর দপ্তরে প্রেষণে কর্মরত ছিলেন। তাঁর ২০১০ সালের ১০ আগস্ট র‍্যাবে পোস্টিং হয়। তিনি জিয়াউল আহসানের রানার (দেহরক্ষী) থাকা অবস্থায় কাজ ছিল সব সময় তাঁর সঙ্গে থাকা। তাঁর সঙ্গে ইমরুল জাফলং বর্ডার, ডিজিএফআই অফিস, আর্মি সদর দপ্তর, ডিবি প্রধানের কার্যালয় (তখন ডিবির প্রধান ছিলেন মনিরুল ইসলাম) এসব স্থানে যেতেন। মাঝে মধ্যে সচিবালয়ে যেতেন। এ ছাড়া মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকের (তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা) বাসায় যেতেন।

ডেস্ক/আ.আ


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর