[email protected] ঢাকা | শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭শে ভাদ্র ১৪৩৩
thecitybank.com

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিপদসীমার কাছাকাছি পদ্মার পানি, হাজারো মানুষ পানিবন্দি

নিজস্ব প্রতিনিধি:

প্রকাশিত:
১১ সেপ্টেম্বার ২০২৬, ১৫:৪৫

পানিবন্দি হাজারো মানুষ। ছবি: চাঁপাই জার্নাল

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদীর পানি বিপদসীমার কাছাকাছি দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বর্তমানে পাঙ্খা গেজ স্টেশনে পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয়েছে ২১ দশমিক ৭৬ মিটার। নদীর বিপৎসীমা ২২ দশমিক ০৫ মিটার। অর্থাৎ বিপৎসীমার মাত্র ২৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে পদ্মার পানি।

শুক্রবার (২১ সেপ্টেম্বর) জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের গণমাধ্যমে পাঠানো নিয়মিত পাঠানো তথ্য থেকে এটি জানা গেছে।

এছাড়া পদ্মার পাশাপাশি মহানন্দা ও পুনর্ভবা নদীতেও পানি বাড়ছে। বর্তমানে মহানন্দা নদীর খালঘাট গেজ স্টেশনে পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয়েছে ১৯ দশমিক ৪৩ মিটার। এ নদীর বিপৎসীমা ২০ দশমিক ৫৫ মিটার। অন্যদিকে পুনর্ভবা নদীর রহনপুর গেজ স্টেশনে পানির উচ্চতা দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ৪৬ মিটারে। এ নদীর বিপৎসীমা ২১ দশমিক ৫৫ মিটার।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ রকিবুল ইসলাম বলেন, বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী আগামীকাল পর্যন্ত পদ্মার পানি বাড়তে পারে। এরপর পানি কমতে শুরু করার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে পানি বিপৎসীমার নিচে থাকায় বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা নেই।

এদিকে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে হাজারো মানুষ। গতকাল বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়ন পরিদর্শন করেন চাঁপাইনববাগঞ্জ সদর উপজেলা ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার ইকরামুল হোসাইন। এই সময় আরোও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মোঃ আল আওয়াল, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ শাহীনুর রহমান, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার কাঞ্চন কুমার দাস, সহকারী শিক্ষা অফিসার মাহবুব হোসেন এবং নারায়ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ নাজির হোসেনসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

স্থানীয় বাসিন্দারা পানিবন্দি হওয়া, যাতায়াত, কৃষিকাজসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা কর্মকর্তাদের কাছে তুলে ধরেন।

উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা স্থানীয়দের সমস্যাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে শোনেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার ইকরামুল হোসাইন বলেন, নদীর পানি স্কুল ভবনে প্রবেশ করার কারণে কয়েকটি স্কুল বন্ধ আছে। এছাড়া যারা পানি বন্দি হয়ে পড়েছে তাদেরকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে।

এম.এ.এ/আ.আ


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর