প্রকাশিত:
১৪ জুলাই ২০২৬, ২২:৩৭
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার কাশিমপুর গ্রামে প্রবাসে থাকা এক ব্যক্তির স্ত্রীর সন্তান প্রসবের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।
স্থানীয়দের দাবি, ওই নারী একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। তবে সংশ্লিষ্ট নারী ও তাঁর পরিবার এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, কাশিমপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মিয়ার ছেলে জাকির হোসেন প্রায় তিন বছরের বেশি সময় ধরে বিদেশে অবস্থান করছেন। এ সময়ে তাঁর স্ত্রী খাদিজা (৩০) শ্বশুরবাড়িতে দুই সন্তান ও শ্বশুরের সঙ্গে বসবাস করছিলেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, গত ৯ জুলাই রাতে খাদিজার প্রসববেদনা উঠলে তার জা আক্তার বানু এবং প্রতিবেশী রুজি আক্তার ও ফাইজুন্নাহার সেখানে যান। তাদের দাবি, ওই রাতে খাদিজা একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দেন। পরে রাতেই নবজাতককে নিয়ে তিনি বাবার বাড়ি লাখাই উপজেলার নকলাউক গ্রামে চলে যান।
আক্তার বানু বলেন, ঘরে প্রবেশ করে তিনি নবজাতকের কান্নার শব্দ শুনেছেন এবং একটি ছেলে সন্তান দেখতে পান। একই ধরনের দাবি করেছেন প্রতিবেশী রুজি আক্তার ও ফাইজুন্নাহার। ফাইজুন্নাহার বলেন, তিনি নবজাতককে কোলেও নিয়েছিলেন।
তবে খাদিজা বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, তিনি কোনো সন্তানের জন্ম দেননি। দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে শারীরিক সমস্যার কারণে একটি রক্তের পিণ্ড বের হয়েছে। তার বাবা ফজলুর রহমানও মেয়ের সন্তান প্রসবের অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।
অন্যদিকে, খাদিজার শ্বশুর আব্দুর রশিদ বলেন, ঘটনার বিষয়ে তিনি অবগত। তবে পারিবারিক বিষয়টি প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান।
স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুল আমিন বলেন, ঘটনাটি তার কানে এসেছে। তবে এখনো তিনি বিষয়টি সরেজমিনে যাচাই করেননি। তাই এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো মন্তব্য করা তার পক্ষে সম্ভব নয়।
লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
এদিকে, স্থানীয়দের একাংশের দাবি, সন্তান প্রসবের পর নবজাতকের অবস্থান সম্পর্কে তারা নিশ্চিত নন। তবে এ দাবির স্বপক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি বা স্বাধীনভাবে যাচাইকৃত তথ্য পাওয়া যায়নি।
সূত্র: দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাস/ডেস্ক/আ.আ
মন্তব্য করুন: